বুধবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
মোঃ আবদুল্যাহ চৌধুরী, নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের চিপ ও এনএসডির প্রিন্সিপাল আবদুল মালেকের যায়গা দখল করে এবং মাছের ঘের থেকে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। পুলিশের হস্তক্ষেপে মিমাংসার আশ্বাস।
সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের মন্ডলিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন বিশ বছর ধরে এখানে জমি ক্রয় করে মাছের ঘের নির্মাণ করেন এই শিক্ষক, এবং তিনি সব সময় এলাকার মানুষের উপকার করে থাকেন, কিন্তু হটাৎ করে ধানশালিক ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহাগ ও তার লোকজন তার জমির মধ্যে আমিন দিয়ে পরিমাপ করে পিলার দিয়ে পানি সেচ দিয়ে মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ এনে কবিরহাট থানায় একটি অভিযোগ করেন, তার ধারাবাহিকতায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চলমান সকল কাজ স্থগিত করেন, এবং উভয় পক্ষকে কাগজ নিয়ে থানায় যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
অভিযুক্ত সোহাগের কাছে বিষয় জানতে চাইলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট বলে জানান, তার ছোট ভাই সহ কয়েকজন যায়গাটি ক্রয় করেন, এই জমিটি কোথায় তিনি সেটিও জানেন না, তবে তার ভাইয়ের কাছে কাগজপত্র আপডেট রয়েছে। তিনি আরো বলেন অভিযোগকারী মালেক এখানে ২০ একর জায়গায় ক্রয় করে বর্তমানে ১শত একর জমি দখল করে খাচ্ছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কবিরহাট থানার এএসআই দেলোয়ার হোসেন বলেন, মাষ্টার আবদুল মালেক নামে একজন ব্যাক্তি তার যায়গা দখল করে পানি সেচ দিয়ে মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে এমন মর্মে থানায় একটি অভিযোগ করেন, পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসির নির্দেশে ঘটনাস্থলে এসে একটি পানি সেচ দেওয়ার মেশিন চলমান অবস্থায় পাওয়া যায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কেউ কোন কাজ করা যাবেনা, এবং উভয় পক্ষের কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলা হয়েছে, কাগজ দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
একে