সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬

কুয়াশার চাদরে ঢাকা মোংলা, শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

রোববার, জানুয়ারী ৪, ২০২৬
কুয়াশার চাদরে ঢাকা মোংলা, শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

আলী আজীম, মোংলা (বাগেরহাটবাগেরহাট) প্রতিনিধি: 

ভোরের আলো ফোটার আগেই যেন থমকে যায় মোংলা। ঘন কুয়াশার আড়ালে ঢাকা পড়ে পথঘাট। কনকনে শীত আর হিমেল বাতাসে জবুথবু হয়ে পড়ে চারপাশ। তবু জীবনের তাগিদ যেনো থামে না। প্রতিদিনের মতোই শীত উপেক্ষা করে ঘর ছাড়ছেন খেটে খাওয়া মানুষগুলো।

মোংলায় বেড়েছে তীব্রতা। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কুয়াশার ঘনত্ব ও হিমেল হাওয়া। ভোর থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে মোংলা শহর। শীত ও কুয়াশার দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার কারণে কয়েক হাত দূরের কিছুই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) ভোর থেকে মোংলার বিভিন্ন এলাকায় ঘন কুয়াশা দেখা যায়। অন্য দিনের তুলনায় সড়কে মানুষের চলাচল কিছুটা কম ছিল। তবে যারা প্রয়োজনের তাগিদে বাইরে বের হয়ে, ভোগান্তিতে পড়েছেন জনসাধারণ। কনকনে ঠান্ডা ও হিমেল বাতাসে একাধিক গরম পোশাক পরেও শীতের তীব্রতা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।

এদিকে কুয়াশার কারণে অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়েছিল মোংলার বেশ কয়েকটি এলাকা। এ সময় অনেক যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

এই প্রতিকূল পরিবেশে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষরা। কৃষিশ্রমিক, নির্মাণশ্রমিক, ভ্যানচালক কিংবা ছোট দোকানিরা সীমিত শীতবস্ত্রেই কাজে নেমেছেন। শীতের কষ্ট সত্ত্বেও জীবিকার সংগ্রামে তাদের থামার সুযোগ নেই। অনেকেই বলেন, কাজ না করলে সংসারের চুলা জ্বলে না—এই বাস্তবতাই তাদের বাইরে বের করে আনে।

তীব্র শীত আর কুয়াশার মধ্যেও উপজেলার বিভিন্ন বাজারে দেখা গেছে জীবনের স্বাভাবিক স্পন্দন। সকাল থেকেই বাজারে জমে উঠেছে কেনাবেচা। শাকসবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বেচাকেনা চলছে আগের মতোই। ঠান্ডা ঠেকাতে কেউ আগুন জ্বালিয়ে, কেউ মোটা কাপড় জড়িয়ে দোকান সামলাচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শীত মানুষের কষ্ট বাড়ালেও জীবন থেমে থাকে না। তবে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য শীতবস্ত্র সহায়তা এবং শীতজনিত রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে এবং কুয়াশা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এতে করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসহায় মানুষদের ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

একে 


Somoy Journal is new coming online based newspaper in Bangladesh. It's growing as a most reading and popular Bangladeshi and Bengali website in the world.

উপদেষ্টা সম্পাদক: প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ

যোগাযোগ:
এহসান টাওয়ার, লেন-১৬/১৭, পূর্বাচল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ
কর্পোরেট অফিস: ২২৯/ক, প্রগতি সরণি, কুড়িল, ঢাকা-১২২৯
ইমেইল: somoyjournal@gmail.com
নিউজরুম ই-মেইল : sjnewsdesk@gmail.com

কপিরাইট স্বত্ব ২০১৯-২০২৬ সময় জার্নাল