এহসান রানা, ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালী) আসনে মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাইয়ে শেষে ১৫ প্রার্থীর মধ্যে বাছাই শেষে বিকেল চারটা পর্যন্ত ক্রুটি সংশোধন করায় ৭ প্রার্থীর মনোনয়নকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া বাকী ৮ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আজ রোববার বিকেল ৪টা পর্যন্ত কিছু ত্রুটি সংশোধন শেষে চুড়ান্ত ভাবে এই ঘোষনা দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা।
এদের ভিতর সাত স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক শতাংশ ভোটের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সর্বশেষ আয়কর রির্টান জমা না থাকায় বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির মৃন্ময় মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
রবিবার সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত ফরিদপুর-১ আসনের বিএনপি, জামায়াতসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীদের আয়কর বিবরণী, বার্ষিক আয়-ব্যয় হিসাবে গড়মিল ও মামলার তথ্য গোপনসহ সাধারণ ত্রুটির কারণে বিকেল পর্যন্ত আট জনের মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়।
এ বিষয়ে বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মোল্লা বলেন, যেসব প্রার্থীদের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে তাঁদের বিকাল ৪টা পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। স্থগিত রাখা ৮টি মনোনয়ন পত্রের মধ্যে ৭ জনের ত্রুটি সংশোধন গ্রহনযোগ্য হওয়ায় তাদের প্রার্থীতা বৈধ ঘোষনা করা হয়।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, জামায়াতের প্রার্থী মো. ইলিয়াস মোল্যা, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল বাসার খান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মুহাম্মদ খালেদ বিন নাছের ও জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, জাতীয় পার্টির সুলতান আহমেদ খান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ শরাফাতের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষনা করা হয়।
প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. হাসিবুর রহমান অপু, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু, সাংবাদিক আরিফুর রহমান দোলন, মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ, মো. গোলাম কবীর মিয়া, মো. আব্দুর রহমান জিকো ও বিএনপি প্রার্থীর স্ত্রী লায়লা আরজুমান বানু। তাঁদের মোট ভোটারের ১% ভোটারের সত্যতা না পাওয়ায় মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
এমআই