ইসাহাক আলী, নাটোর প্রতিনিধি:
নাটোরে দৈনিক সংগ্রামের সাংবাদিক জোবায়েরকে নাটোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রশাসনের সামনেই প্রকাশ্যে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা এগারোটার দিকে নাটোর-২ সদর আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলী নাটোর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে প্রার্থীর সাথে থাকা ব্যক্তিদের সাথে যুবদল নেতা হীরার নেতৃত্বে ১০-১২ জন তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হলে সংগ্রাম প্রতিনিধি ভিডিও ধারন করলে বিএনপির লোকজন দায়িত্বে থাকা আনসারের কাছে থেকে লাঠি কেড়ে নিয়ে তাকে শারিরীকভাবে মারপিট করে।
মারপিটের শিকার সাংবাদিক জোবায়ের হোসেন জানান, একজন প্রার্থী একে কেন্দ্র পরিদর্শনের খবরে তিনি ছবি তুলতে কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। সে সময় ওখানে প্রার্থীর লোকজনের সাথে হট্টগোলের পরিস্থিতি দেখে তিনি ছবি তুলতে গেলে বিএনপি কর্মী এরা সহ লোকজন তাকে এসে মারপিট ও লাঞ্ছিত করে। ওখানে দায়িত্বে থাকা প্রশাসনের লোকজন দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের নিরাপদে সরিয়ে দেয়। যা প্রশাসনের ভূমিকা কে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তিনি এর সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এদিকে এ ঘটনার পর পরই আহত জুবায়ের হোসেনকে নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলী বলেন, প্রশাসনের সামনে একজন প্রার্থীকে লাঞ্চিত করেছে। কিন্তু প্রশাসনের নিরব ভূমিকা আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এমনকি দায়িত্বরত একজন সাংবাদিককে প্রশাসনের সামনে শারিরীকভাবে লাঞ্চিত করার পরও প্রশাসন তাদেরকে সেফ এক্সিটে বের হতে সাহায্যে করেন। এমন প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায়না। প্রশাসনকে নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করার জোর দাবি জানান।
এ ব্যাপারে নাটোর প্রেসক্লাবের সভাপতি শহিদুল হক সরকার জানান, ২৪ পরবর্তী সময়ে একটি জনস্ফূর্ত নির্বাচনে সাংবাদিকের উপর হামলা খুবই দুঃখজনক। এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে নাটোরের সাংবাদিকরা সম্মিলিতভাবে আন্দোলন গড়ে তুলবেন। প্রশাসনকেও এ ব্যাপারে জানানো হয়েছে তারাও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সাংবাদিক সমাজ এ ধরনের চক্রান্ত প্রতিহত করবে।
এবিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট নজরুল ইসলামের কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন কথা না বলে চলে যান।
একে