নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে রানি আক্তার নামে এক নারী মারা গেছেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকায় নেওয়ার পথে কুমিল্লায় পৌঁছালে তার মৃত্যু হয়। রানি আক্তারের (৪০) শরীর ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
রানী আক্তারের স্বজন জামশেদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঢাকায় নেওয়ার পথে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট পার হওয়ার পর রানী আক্তার মারা যান।
দগ্ধরা হলেন- শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪), পাখি আক্তার (৩৫)। তাদের মধ্যে পাখি এবং সাখাওয়াতের শরীর শতভাগ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া একজনের ৮০, একজনের ৪৫ এবং বাকিদের শরীর ২০- ২৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
এর আগে সোমবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হালিশহরের এইচ ব্লকে এসি মসজিদসংলগ্ন হালিমা মঞ্জিল নামে এক ভবনে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে জমে পরবর্তীতে আগুনের সংস্পর্শে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বিস্ফোরণের পরপরই ফ্ল্যাটে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাদের পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন দগ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী আলমগীর হোসেন জানান, ওই বাসায় কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির লাইনের গ্যাস সংযোগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে রান্নাঘরে জমে ছিল। পরে কোনোভাবে আগুনের সংস্পর্শে এসে সেই জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণ ঘটে।
একে