এম.পলাশ শরীফ, মোরেলগঞ্জ প্রতিবেদক : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে গুলিশাখালী সিনিয়র ফাজিল স্নাতক মাদ্রাসায় দুই জন ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারির নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগে অধ্যক্ষ আব্দুল বারির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় অভিভাবকরা।
এ ঘটনায় জমিদাতা ছাত্র অভিভাবক আবু বকর খলিফা ও দেলোয়ার হোসেন গাজী বাদি হয়ে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বাগেরহাট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে পৃথক পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
শনিবার বিকেল ৫টায় গুলিশাখালী বাজারে এ মানববন্ধনে অংশ নেয় ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবক জমি দাতার পরিবারসহ স্থানীয় মানুষ।
মানববন্ধন থেকে ছাত্র অভিভাবক দেলোয়ার হোসেন গাজী, জমি দাতার ছেলে প্রতিষ্ঠানের সাবেক সহ-সভাপতি ফজলুর রহমান খান, অভিভাবক আবু বকর খলিফা, হারুন খলিফাসহ একাধিক অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল বারি মাদ্রাসার গর্ভনিং বর্ডির মেয়াদ শেষ হওয়ায় গোপনীয়ভাবে স্বজনপ্রীতি করে বে-আইনিভাবে কমিটিতে তার কাছের লোককে স্থান দিয়েছে। সম্প্রতি ৪র্থ শ্রেনীর ২ জন কর্মচারী নিয়োগে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি পোপনীয়তা রেখে নোটিশ বোর্ডে না সাটিয়ে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূন্ন করার পায়তারা করছে। মাদ্রাসার একটি কাঠের ঘর মালামালসহ তিনি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছেন এ রকম নানাবিধ অনিয়ম দুর্নীতি একের পর এক করে যাচ্ছেন অধ্যক্ষ আব্দুর বরি। অভিভাবকরা ৪র্থ শ্রেনী নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে পুনরায় গঠন করার দাবি জানান। একই সাথে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এ বিষয়ে গুলিশাখালী সিনিয়র ফাজিল স্নাতক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল বারি বলেন, দুই জন ৪র্থ শ্রেনীর নিয়োগের বিষয়ে এখনও চুড়ান্ত হয়নি। শুধুমাত্র পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মাদ্রাসায় পাকা ভবন নির্মাণের পূর্বের কাঠের ঘর যারা মানববন্ধন করেছেন তাদের মধ্যে ১ জন বাড়িতে নিয়েছেন। ইউপি নির্বাচনের প্রার্থী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন একটি মহল।
এমআই