আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে দ্বিতীয় দফার সরাসরি আলোচনা আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও দুই দেশ কূটনৈতিক সংলাপ এগিয়ে নিতে আগ্রহী বলে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। খবর আল জাজিরার।
গত সপ্তাহে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে কার্যকর হওয়া একটি নাজুক যুদ্ধবিরতির পর এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা হতে যাচ্ছে।
এর আগে গত ১৪ এপ্রিল শুরু হওয়া সংলাপকে ‘গঠনমূলক’ বলে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এক মুখপাত্র আল জাজিরাকে জানান, দুই দেশের মধ্যে ‘সৎ ও ইতিবাচক’ আলোচনার পরিবেশ তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবে।
গত সপ্তাহে লেবানন ও ইসরাইলের কর্মকর্তারা কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি বৈঠকে বসেন, যা হিজবুল্লাহ ও তাদের মিত্রদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দেয়।
তবে যুদ্ধবিরতির পর লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন শুক্রবার এক ভাষণে বলেন, তার সরকার আলোচনার পথেই এগোবে। তিনি বলেন, ‘এই আলোচনা দুর্বলতা নয়, পিছু হটা নয়, কিংবা কোনো ধরনের ছাড় নয়। বরং এটি আমাদের অধিকার রক্ষার বিশ্বাস, জনগণের কল্যাণ এবং দেশকে রক্ষার দায়িত্ব থেকে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত।’
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম এই আলোচনাকে ‘একটি ধারাবাহিক পরাজয়মূলক ছাড়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা দখলদার ইসরাইলের সঙ্গে আলোচনাকে প্রত্যাখ্যান করি। এই আলোচনা ফলহীন এবং এমন পথে যাওয়ার আগে লেবাননের অভ্যন্তরীণ ঐক্য প্রয়োজন, যা এখনও হয়নি।’
উল্লেখ্য, ১৪ এপ্রিলের প্রথম দফার আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার অংশ নেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-ও।
একে