অনলাইন ডেস্ক:
বিএনপির ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও এতে মন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী ২৩ জন। এছাড়া মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব পদমর্যাদার আরও ১৫ জন উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী রয়েছেন। অনেক মন্ত্রণালয়েই এখন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা রয়েছেন।
একই মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা নিয়োগ গতি ফেরাবে না কি সমন্বয়হীনতা ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব উল্টো মন্ত্রণালয়ের গতি ধীর করে দেবে- এমন প্রশ্ন এখন অনেকের। তবে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক আমলারা বলছেন, একই মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা থাকার যেমন ইতিবাচক দিক আছে, তেমনি নেতিবাচক দিকও আছে।
এক্ষেত্রে নতুন নিয়োগ পাওয়া মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের কাজ-কর্মে গ্যাপ থাকলেও তা সহজে পূরণ হবে। কারণ মন্ত্রণালয়ের কাজের অসঙ্গতি কিংবা ত্রুটি থাকলে শীর্ষ তিনজনের কারও না কারও চোখে তা ধরা পড়বে।
তবে পরস্পরের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে কাজে ধীরগতি সৃষ্টি হতে পারে। শীর্ষ ব্যক্তি হিসেবে মন্ত্রী অন্যকে কাজের সুযোগ দিতে না চাইলে দ্বান্দ্বিক অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। এতে কাজ আরও পিছিয়ে যাবে। সরকারের বয়স মাত্র তিন মাস। সার্বিক কার্যক্রম এখনো সেভাবে মূল্যায়নের সময় হয়নি বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা।
প্রশাসনের কেউ কেউ বলেছেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে ছিল। এতদিন দল ধরে রাখতে যারা ভূমিকা রেখেছেন, এমন নেতাদের ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে অনেককেই পদ-পদবি দিতে হচ্ছে। যদিও বিগত দিনে নির্বাচিত সরকারে এভাবে এত বেশি সংখ্যক উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী নিয়োগ দিতে খুব একটা দেখা যায়নি।
এরই মধ্যে কোনো কোনো মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের মধ্যে কিছুটা সমন্বয়হীনতার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এ ব্যবস্থা চূড়ান্ত নয়। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে। এতে কাঙ্ক্ষিত ফল না এলে সিদ্ধান্ত সংশোধনের সুযোগ আছে। আগামী বাজেটের পর মন্ত্রিসভায় একটি পরিবর্তন আসার ইঙ্গিতও দিয়েছেন সরকারে থাকা বিএনপির প্রভাবশালী এক নেতা।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে দলটি।
উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীরা
বর্তমান মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী আছেন ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী ২৩ জন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আছেন মন্ত্রীর পদমর্যাদায় পাঁচজন, প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় পাঁচজন। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় বিশেষ সহকারী আছেন তিনজন ও সচিব পদমর্যাদায় দুজন।
২০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে উপদেষ্টা এবং বিশেষ সহকারী রয়েছে। মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন- প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. রুহুল কবির রিজভী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে রয়েছেন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম; পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান; শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
অন্যদিকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার; বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। এরা সবাই প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার বিশেষ সহকারী।
সচিব পদমর্যাদার বিশেষ সহকারী রয়েছেন- এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ।
এছাড়া যুব ও কর্মসংস্থান বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (গ্রেড-২) সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত ও উপদেষ্টা হিসেবে এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার রয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর ক্ষেত্রে কাজের ভাগাভাগি না থাকলে মন্ত্রী পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য সব ফাইলই প্রতিমন্ত্রী হয়ে যেতে হয়। কিন্তু, অভিযোগ উঠেছে, নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিমন্ত্রীকে পাশ কাটিয়েই মন্ত্রী নিজে নিষ্পত্তি করছেন। আবার নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার না থাকায় প্রতিমন্ত্রীও কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিজেকে সরিয়ে রাখছেন। এখানে উপদেষ্টাও তার প্রভাবে ধরে রাখতে চাইছেন।
অন্যদিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়েও মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের মধ্যে সমন্বয়ে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম ও উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মতো ছোট মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা নিয়োগকে অনেকে অপ্রয়োজনীয় বলছেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী ও উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সরকারের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রতি মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করেন উপদেষ্টা। মাঝে মাঝে সেখানে উপস্থিত থাকেন মন্ত্রী। তবে প্রতিমন্ত্রীকে কখনো দেখা যায়নি।
যা বলছেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা
এ বিষয়ে সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার জাগো নিউজকে বলেন, এত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী নিয়োগ কাজে কী প্রভাব ফেলে, এটা জানতে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে। মাত্র তিন মাস গেছে। যারা সরকার চালায় তাদের তো একটা হিসাব আছে।
তিনি বলেন, ‘এখানে তো নানা জনের, নানা মত... তো এটা মনে করেন হয়তো এমনও হতে পারে যে তাদের ধরেন এটা ট্রেনিংও দেওয়া, অবজার্ভও করা। এটার ভিত্তিতে কিছুদিন রেখে ট্রায়াল। পরে আরও সুন্দর করে সাজাবে। কারণ এটা ম্যাডাম খালেদা জিয়া যখন ১৯৯১-তে সরকার গঠন করেছে, তখনও এই রকম ছিল।’
‘শুধু কাজের দিক দেখলেও হবে না। কারণ এটা এখন তারা ধরেন এরকম একটা বড় দল, এত নেতা। তারপরে এদের নানা জনের এত ত্যাগ। এখন সেই দিকেও আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে, যে যিনি সরকার প্রধান, তাকে নানা দিকে মিনিমাইজ করতে হয়।’
জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ আবদুল আউয়াল মজুমদার আরও বলেন, ‘এগুলোর হলো দুটি দিক- চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স। একজন থাকলে স্বেচ্ছাচারিতার একটা সুযোগ তৈরি হয়। দুজন থাকলে কিছুটা ব্যালেন্স হয়। একই সঙ্গে একজন আরেকজনকে ওয়াচ করলো, তারপরে ট্রেনিং, কারণ জুনিয়ররা তো পরে বড় দায়িত্বে যেতে হবে। দ্বিতীয়ত, যিনি প্রতিমন্ত্রী আছেন তার ট্রেনিং হয়। তৃতীয়ত, নানা জনকে তার সন্তুষ্ট করতে হয় সরকার প্রধানকে।’
আরেক জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘সব মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা মানানসই নয়। কৃষিতে মানানসই, স্থানীয় সরকার, আর অর্থ মন্ত্রণালয়ে মানানসই। আর কোথাও মানানসই না।
‘এগুলো হয়েছে কি, প্রোভাইড করা, রাজনৈতিকভাবে অ্যাকোমোডেট করা আর কি’ বলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও প্রশাসন সংক্রান্ত বহু গ্রন্থের রচয়িতা ফিরোজ মিয়া।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সমমর্যাদার নিয়োগপ্রাপ্তদের বেতন-সুবিধা
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা ‘দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন, ১৯৭৫’ অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পান। বিভিন্ন সময়ে আইনটি দুটি সংশোধন হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংশোধন করা হয়।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সমমর্যাদার নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিরাও মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মতো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। তবে ক্ষমতা ও দায়িত্ব একই হয় না।
একজন মন্ত্রী মাসে বেতন পান এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রীরা প্রতি মাসে বেতন পান ৯২ হাজার টাকা। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীকে বেতনের জন্য কোনো কর দিতে হয় না।
এছাড়া একজন মন্ত্রীর দৈনিক ভাতা দুই হাজার টাকা, নিয়ামক ভাতা মাসিক ১০ হাজার টাকা, স্বেচ্ছাধীন তহবিল ১০ লাখ টাকা, মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা পান।
সরকারি খরচে সার্বক্ষণিক গাড়ি থাকে। ঢাকার বাইরে অফিসিয়াল ট্যুরের জন্য অতিরিক্ত একটি জিপ গাড়ি পাবেন, যার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে।
গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ সরকারি বাসভবনের যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে। সরকারি বাসায় না থাকলে বাড়িভাড়া বাবদ ৮০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরনের সেবা খাতের বিল পাবেন একজন মন্ত্রী।
সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরী ছাড়াও একজন মন্ত্রী বাসস্থান থেকে অফিস বা অফিস থেকে বাসস্থানে যাতায়াতের খরচ পাবেন। নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণ খরচও তিনি পাবেন। এছাড়া অন্তত দুজন গৃহকর্মীর ভ্রমণের খরচ পাবেন।
উপ-সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পাবেন। জাতীয় বেতন স্কেলের দশম গ্রেডের দুজন কর্মকর্তা থাকবেন। আরও পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।
প্রতিমন্ত্রীদের দৈনিক ভাতা দেড় হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রীর নিয়ামক ভাতা ৭ হাজার ৫০০ টাকা। স্বেচ্ছাধীন তহবিল সাড়ে ৭ লাখ টাকা। মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা পান একজন প্রতিমন্ত্রী।
তারাও গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ সরকারি ভবন পান। এর যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করে। সরকারি বাসায় না থাকলে বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ সব ধরনের সেবা খাতের বিল ও বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ পান।
প্রতিমন্ত্রীরা উপ-সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা পাবেন। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুজন কর্মকর্তাও পান তিনি। আরও পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।
একে