কুবি প্রতিনিধি :
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের জন্য মালয়েশিয়ার 'ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া সারাওয়াক (ইউনিমাস)'-এ এক সেমিস্টারের জন্য শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আবেদন শুরু হয়েছে। এ মাসের ২৮জুন অবধি চলবে আবেদন প্রক্রিয়া।
বুধবার (১৭ জুন) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অংশীদার প্রতিষ্ঠান ইউনিমাসে এই শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। ২৮ জুন রাত ১২ অবধি আবেদন করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।
বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে, অন্তত প্রথম বর্ষ বা দ্বিতীয় সেমিস্টার সম্পন্ন হতে হবে এবং ন্যূনতম সিজিপিএ ২.৭৫ থাকতে হবে। এছাড়া আবেদনকারীদের অ্যাকাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় ভাষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর আইইএলটিএস ৫, টোফেল আইবিটি ৪২, পিটিই ৪৭, কেমব্রিজ ১৫৪, সিইএফআর বি১ অথবা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত ইংরেজি মাধ্যমে অধ্যয়নের সনদ (মিডিয়াম অব ইনস্ট্রাকশন–এমওআই)—এর যেকোনো একটি থাকতে হবে।
আবেদন করতে আগ্রহীদের পূরণকৃত আবেদনপত্র এবং যাচাই তালিকায় উল্লিখিত প্রয়োজনীয় সব নথি একত্রে একটি পিডিএফ ফাইল আকারে ই-মেইলে (info@cou.ac.bd) পাঠাতে হবে। ই-মেইলের বিষয় হিসেবে "ইউনিমাস আবেদন" উল্লেখ করতে হবে।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মশিউর রহমান বলেন, 'শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে আমাদের অ্যাকাডেমিয়ার সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নেটওয়ার্ক তৈরি হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের বিকাশের একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি আরো বলেন, 'কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এ ধরনের কর্মসূচি এখনও নতুন। আমরা শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে পরিচিত করে তুলতে এবং তাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে কাজ করছি। এর আগে তুরস্কের বিএসপি প্রোগ্রামে শিক্ষকসহ পাঁচজনকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হয়েছিল। মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট কোনো কোটা দেওয়া হয়নি; আবেদন চাওয়া হয়েছে। আমরা প্রাথমিক বাছাই শেষে যোগ্য শিক্ষার্থীদের আবেদন পাঠাব।'
তিনি বলেন, 'এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা শুধু অ্যাকাডেমিক শিক্ষা নয়, বরং মালয়েশিয়ার সংস্কৃতি, শিক্ষা ব্যবস্থা ও সামাজিক পরিবেশ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে। ফলে এটি তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। এক অর্থে, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুনভাবে পৃথিবীকে দেখার একটি জানালা খুলে দেবে।'
এমআই