আজ শনিবার, জানুয়ারী ২৩, ২০২১ | ৯ মাঘ, ১৪২৭

শিরোনাম

ভক্ত-দর্শকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মুশফিক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০২০


ভক্ত-দর্শকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মুশফিক

নিজের ভুলের জন্য ভক্ত-দর্শকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন বেক্সিমকো ঢাকার অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। গতকালের (সোমবার) ম্যাচে সতীর্থ নাসুম আহমেদের গায়ে হাত তুলতে উদ্যত হওয়ার ঘটনায় খেলা শেষেই নাসুমের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

দেশের সিনিয়র এই ক্রিকেটার মঙ্গলবার সকালে নিজের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেজে নাসুমের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল একটি ছবি দিয়ে লিখেন, ‘এমন কিছু আর ভবিষ্যতে করবেন না।’

সোমবার এলিমেনেটর ম্যাচে ফরচুন বরিশালের মুখোমুখি হয় বেক্সিমকো ঢাকা। এমন ম্যাচে মেজাজ হারিয়ে ফেললেন ঢাকার অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। পুরো ম্যাচেই সতীর্থদের সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ করতে দেখা গেছে তাকে। এমনকি ফিল্ডার নাসুম আহমেদকে মারতে দুইবার হাতও উঠে যায় মুশির!

দলের সিনিয়র প্লেয়ার ও অধিনায়ক হিসেবে মুশফিকুর রহিমের এমন আচণ নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাগোগ মাধ্যামে উঠে তুমুল সমালোচনার ঝড়। 

ফেসবুক পোস্টে মুশফিক লিখেছেন, ‘প্রথমে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আমার সব সমর্থক ও দর্শকদের কাছে কালকের ম্যাচের ঘটনা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করছি। আমি ম্যাচের পরই সতীর্থ নাসুমের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। দ্বিতীয়ত সৃষ্টিকর্তার কাছেও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমি সবসময় মাথায় রাখি- আমি সবকিছুর পর একজন মানুষ এবং আমি মাঠে যে আচরণ প্রদর্শন করেছি তা মেনে নেওয়ার মত নয়। ইনশাআল্লাহ্ আমি প্রতিজ্ঞা করছি,‌ ভবিষ্যতে আমি এমন আচরণের পুনরাবৃত্তি করবো না, মাঠে বা মাঠের বাইরে।’

মুশফিক কালকের ম্যাচে প্রথম মেজাজ হারান ইনিংসের ত্রয়োদশ ওভারে। নাসুমের বল শর্ট মিড উইকেটে ঠেলেই দ্রুত একটি রান নেন আফিফ হোসেন। বোলার ও কিপার, দুজনেই ছুটে যান বল ধরতে। মুশফিক আগে পৌঁছে বল ধরেই হাত বাড়িয়ে মারের ভঙ্গি করেন নাসুমের দিকে।

দ্বিতীয় ঘটনা সপ্তদশ ওভারে। বাঁহাতি পেসার শফিকুল ইসলামকে পুল করতে গিয়ে বল আকাশে তোলেন আফিফ হোসেন। মুশফিক শর্ট লেগের দিকে ছুটে গিয়ে গ্লাভসে বন্দি করেন বল। শর্ট ফাইন লেগেই ফিল্ডার ছিলেন নাসুম। তিনি ক্যাচ নিতে ছুটে এলেও শেষ পর্যন্ত মুশফিককেই সুযোগ দেন, মুশফিকের জন্য বাধার সৃষ্টি করেননি। কিন্তু এবারও মুশফিক ক্যাচ নিয়েই নাসুমের গায়ে হাত তুলতে উদ্যত হন। 

এই দুই ঘটনা ছাড়াও আরও এই ম্যাচে কয়েকবার বোলারদের বাজে ডেলিভারিতে বা ফিল্ডারদের ভুলের পর বেশ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ফুটে ওঠে মুশফিকের আচরণে।

কারাগারে হলমার্কের জিএমের নারীসঙ্গ, ডেপুটি জেলারসহ ৩ জন প্রত্যাহার

কারাগারে হলমার্কের জিএমের নারীসঙ্গ, ডেপুটি জেলারসহ ৩ জন প্রত্যাহার

যাদবপুরে নৌকার মাঝি হতে চান মুক্তিযোদ্ধা আউলাদ

যাদবপুরে নৌকার মাঝি হতে চান মুক্তিযোদ্ধা আউলাদ

করোনায় আক্রান্ত জিদান

করোনায় আক্রান্ত জিদান

সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধাকে নির্যাতন: গৃহকর্মী রেখা রিমান্ডে

সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধাকে নির্যাতন: গৃহকর্মী রেখা রিমান্ডে

ওবায়দুল কাদেরকে কটূক্তি, কাদের মির্জার অনশন

ওবায়দুল কাদেরকে কটূক্তি, কাদের মির্জার অনশন

ভারতের চলচ্চিত্র উৎসবে তৌকীরের দুই ছবি

ভারতের চলচ্চিত্র উৎসবে তৌকীরের দুই ছবি

এবার পাকিস্তানকে টিকা উপহার দিচ্ছে চীন

এবার পাকিস্তানকে টিকা উপহার দিচ্ছে চীন

কাউন্সিলর তরিকুলের হত্যা ছিলো পূর্ব পরিকল্পিত, ঘাতক আটক

কাউন্সিলর তরিকুলের হত্যা ছিলো পূর্ব পরিকল্পিত, ঘাতক আটক

সিরিজ জয়:  টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী

সিরিজ জয়: টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পকে একা ফেলে চলে গেলেন মেলানিয়া!

ট্রাম্পকে একা ফেলে চলে গেলেন মেলানিয়া!

জালে ধরা পড়া লাউভোলা মাছে ভাগ্য খুললো রফিকুলের

জালে ধরা পড়া লাউভোলা মাছে ভাগ্য খুললো রফিকুলের

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ ঘরে তুললো টাইগাররা

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ ঘরে তুললো টাইগাররা

ব্যাংকের পরিচালক, এমডিদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ

ব্যাংকের পরিচালক, এমডিদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ

রাত পোহালেই হাতীবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীর ঘর পাচ্ছেন ৪২৫ পরিবার

রাত পোহালেই হাতীবান্ধায় প্রধানমন্ত্রীর ঘর পাচ্ছেন ৪২৫ পরিবার

ফিফটি করেই ফিরলেন তামিম

ফিফটি করেই ফিরলেন তামিম

জাতীয় পরিচয়পত্র ধরে ভ্যাকসিন দেয়ার আহ্বান

জাতীয় পরিচয়পত্র ধরে ভ্যাকসিন দেয়ার আহ্বান

মেলায় বেলুন ফোলানোর সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই শিশুর মৃত্যু, আহত ১০

মেলায় বেলুন ফোলানোর সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই শিশুর মৃত্যু, আহত ১০

দেশে একদিনে আরও ১৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৬১৯

দেশে একদিনে আরও ১৫ মৃত্যু, শনাক্ত ৬১৯

করোনায় মৃতের পরিবারের হাতে দশ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিল ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড

করোনায় মৃতের পরিবারের হাতে দশ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিল ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড

সুন্দরবনের গহীনে বাঘের আক্রমনে ২ জন নিহত : নিখোঁজ ১

সুন্দরবনের গহীনে বাঘের আক্রমনে ২ জন নিহত : নিখোঁজ ১