আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ধ্বংসস্তূপ থেকে লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি ইসরায়েলি বিমান হামলায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ১০০ জন। এর মধ্যে শুধু ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতির পরই প্রাণহানি হয়েছে ৩৫০ জনের বেশি।
গত শনিবার ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসের পূর্ব দিকে জ্বালানি কাঠ কুড়াতে যাওয়া দুই শিশু ফাদি ও জমা আবু আসি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে তাদের পরিবার। দুজনের বয়স ছিল আনুমানিক আট এবং ১০ বা ১১ বছর। ওই শিশুদের জানাজা শনিবার নাসের হাসপাতালে অনুষ্ঠিত হয়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, তারা ‘হলুদ রেখা’ অতিক্রম করা দুই সন্দেহভাজনকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সাত সপ্তাহের বেশি আগে যে যুদ্ধবিরতি হয়, সে অনুযায়ী ইসরায়েলি বাহিনী ওই রেখা পর্যন্ত পিছু হটতে সম্মত হয়েছিল।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্য জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে নির্ভরযোগ্য হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে ইসরায়েল এ পরিসংখ্যান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে। ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে গাজায় প্রবেশ করতে না পারায় দুই পক্ষের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে দক্ষিণ ইসরায়েলে চালানো হামলার জবাবে গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়।
এমআই