মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

প্রিপেইড মিটার রিচার্জে ২০০ ডিজিটের ভোগান্তি, ধৈর্য ছাড়া উপায় নেই

সোমবার, জুন ৮, ২০২৬
প্রিপেইড মিটার রিচার্জে ২০০ ডিজিটের ভোগান্তি, ধৈর্য ছাড়া উপায় নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা আসার পর থেকে ভিন্ন রকম এক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে প্রিপেইড মিটারের গ্রাহকদের। বিদ্যুতের নতুন ট্যারিফ প্রযোজ্য হওয়ার পর মিটার রিচার্জ করতে প্রয়োজন পড়ছে ২১০ ডিজিটের একটি টোকেনের, যা প্রবেশ করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে ব্যবহারকারীদের।

সাধারণত প্রিপেইড মিটার রিচার্জের ক্ষেত্রে ফোনে ২০ ডিজিটের ‘টোকেন’ এসে থাকে, যা মিটারে প্রবেশ করিয়ে রিচার্জ সম্পন্ন করতে হয়। মূল্য পরিবর্তনের পর ওই টোকেন আসছে ২১০ সংখ্যার, যা প্রবেশ করাতে ভোগান্তিতে পড়ছেন গ্রাহকরা।

রাজধানীর বাড্ডায় বসবাসকারী গ্রাহক মো আল-আমিন বলেন, গতকাল মিটার রিচার্জ করতে গিয়ে প্রায় ১০টার মতো টোকেন এসেছে। ইনপুট দিতে গিয়ে বেশ কয়েকবারই ভুল হয়েছে। এটা ভোগান্তি ছাড়া আর কিছুই না।

মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা মো. শাহজাহান বলেন, মিটারের টাকা শেষ হয়ে যাওয়ার পর রিচার্জ করতে গেলে ফোনে এতোগুলো ডিজিট আসে! প্রথম দফাতে সবগুলো সঠিকভাবে দেওয়া সম্ভব হয় না। এমন ভোগান্তির কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না।

টঙ্গীতে বসবাসকারী রাকিবুল ইসলাম বলেন, মিটার রিচার্জের ক্ষেত্রে সবসময় ২০ সংখ্যার টোকেন এসে থাকে। তবে এবার ২০০ সংখ্যার টোকেন এসেছে। এতো বড় সংখ্যা মিটারে প্রবেশ করাতে বেগ পেতে হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাধারণত বিদ্যুতের মূল্য পরিবর্তন হলেই প্রিপেইড মিটার রিচার্জের ক্ষেত্রে ২০০ বা এর বেশি সংখ্যার টোকেন এসে থাকে, তবে তা একবারেই জন্যই। প্রথমবার রিচার্জ করা হয়ে গেলে পরবর্তীতে স্বাভাবিক সময়ের মতোই ২০ টি সংখ্যা আসবে।

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্য ও প্রযুক্তি শাখার সিস্টেম এনালিস্ট মো. হুমায়ুন কবির ঢাকা পোস্টকে বলেন, ২০০ ডিজিটের যে টোকেনটি এসে থাকে,সেটা মূলত মিটারকে লার্ন (শেখানো-বোঝানোর) করানোর জন্য যে, ট্যারিফ পরিবর্তন হয়েছে। অর্থাৎ বিদ্যুতের মূল্য পরিবর্তনের প্রক্রিয়া মিটার এই টোকেনের মাধ্যমে বুঝে থাকে। এটা শুধু প্রথম রিচার্জেই হবে, পরবর্তীতে রিচার্জের ক্ষেত্রে ২০ ডিজিটই আসবে।

তিনি বলেন, এতে করে হয়তো অনেক গ্রাহকই ভোগান্তিতে পড়ছেন। এর তাৎক্ষণিক কোনো সমাধান নেই । আমাদের অনুরোধ থাকবে, গ্রাহকরা যেন ধৈর্য ধরে টোকেনগুলো মিটারে প্রবেশ করান।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেইন ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ ধরনের ভোগান্তি যেহেতু হচ্ছে, সেক্ষেত্রে বিষয়টা কি করে আরো গ্রাহকবান্ধব ও ভোগান্তিমুক্ত করা যায়,সে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের তদারকি করা উচিত।

একে


Somoy Journal is new coming online based newspaper in Bangladesh. It's growing as a most reading and popular Bangladeshi and Bengali website in the world.

উপদেষ্টা সম্পাদক: প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ

যোগাযোগ:
এহসান টাওয়ার, লেন-১৬/১৭, পূর্বাচল রোড, উত্তর বাড্ডা, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ
কর্পোরেট অফিস: ২২৯/ক, প্রগতি সরণি, কুড়িল, ঢাকা-১২২৯
ইমেইল: somoyjournal@gmail.com
নিউজরুম ই-মেইল : sjnewsdesk@gmail.com

কপিরাইট স্বত্ব ২০১৯-২০২৬ সময় জার্নাল